Textbook Analysis Practicum | B.Ed 4th Semester Course 1.4.8B

0
B.Ed 4th Semester Practicum (Course 1.4.8B – Knowledge and Curriculum II) – Textbook Analysis is provided in this post. It covers Introduction, Characteristics of a Good Textbook, Importance and Need of Textbooks, Objectives and Utility of Textbook Analysis, Textbook Evaluation, Conclusion, and Bibliography. This Practicum is prepared according to the latest BSAEU syllabus and is useful for Practicum File, Viva, Assignment, and Semester Examination.

Textbook Analysis (as prescribed in the uniform curriculum of BSAEU)


B.Ed 4th Semester Practicum Textbook Analysis course 1.4.8B with detailed content, latest syllabus, exam help, and easy to write guide.


ভূমিকা :


বিদ্যালয় স্তরে বিশেষ করে বাধ্যতামূলক শিক্ষাস্তরে পঠন-পাঠন প্রক্রিয়ার সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ও বহুল প্রচলিত উপকরণ হল পাঠ্যপুস্তক। Text books are one of the most important educational inputs. Texts reflects basic ideas about a national culture and are of-ten a flash point of cultural struggle and controversy. পাঠ্য বইতে মজুত থাকে যে কোনো সমাজের জ্ঞানভাণ্ডার। আর এই পাঠ্য বইয়ের মাধ্যমে পূর্বপুরুষের জ্ঞান ভাণ্ডারের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের পরিচিতি ঘটে। শুধু জ্ঞান বিতরণ নয়, পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে যে কোনো সমাজের রীতি-নীতি, মূল্যবোধ, আদর্শ শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হয়।

পাঠ্যবই সম্পর্কে তুলে ধরে গিয়ে 'Dictionary of education' মন্তব্য করেছে যে, এটি হল— নির্দিষ্ট পাঠ্যবই মূলক উপকরণ যা নির্দিষ্ট স্তরের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের প্রয়োজনে বিধিবদ্ধভাবে সজ্জিত। Lang এর মতে, It is a standard book for any particular branch of study. আবার Bacon এর মতে, Textbook is – “A book designed for classroom use, carefully prepared by experts in the field and equipped with the usefull teaching devices.”



পাঠ্যপুস্তকের বৈশিষ্ট্যসমূহ


(i) পাঠ্যপুস্তক অবশ্যই পাঠ্যসূচী অনুযায়ী লেখা হবে।

(ii) পাঠ্যপুস্তক অবশ্যই বিষয় প্রাসঙ্গিক হবে।

(iii) সহজ ও সরল ভাষায় বিষয়বস্তুকে উপস্থাপিত করতে হবে।

(iv) শিক্ষার্থীদের বয়সের স্তর ও সামর্থ্য অনুযায়ী লিখতে হবে।

(v) প্রয়োজনীয় চিত্র এবং উদাহরণ সহযোগে বিষয়বস্তুকে ব্যাখ্যা করতে হবে।

(vi) বিষয়বস্তুকে দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে পুস্তকে উপস্থাপিত করতে হবে।

(vii) পাঠ্যপুস্তকে প্রয়োজনীয় বাহ্যিক গুণমান, যেমন— কাগজ, মুদ্রণ ইত্যাদি ভালো হতে হবে।

(viii) বিষয়বস্তু অবশ্যই আপ-টু-ডেট হতে হবে।

(ix) শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা সংক্রান্ত চাহিদাও সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।

(x) লেখার ধরণ আকর্ষনীয় হতে হবে।

(xi) Assignment, Project Work সঠিকভাবে পাঠ্যপুস্তকে করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য থাকতে হবে।



পাঠ্যপুস্তকের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা :


পাঠ্যপুস্তকের গুরুত্ব অপরিসীম। নিম্নে তা বর্ণিত হল—

১. পাঠ্যক্রমভিত্তিক পাঠ্যবিষয়বস্তুর ধারণা, প্রাসঙ্গিক তথ্য, দৃষ্টান্ত প্রভৃতি পাঠ্যপুস্তকে প্রস্তুত থাকে। শিক্ষক পাঠ্যপুস্তক থেকে তা সংগ্রহ করে ছন্দোবদ্ধভাবে পাঠদান করতে পারেন।

২. তথ্যগুলি অধ্যায়ে অধ্যায়ে ক্রমানুসারে সাজানো থাকে, যা শ্রেণিকক্ষে মজবুত ভিত তৈরি করে।

৩. প্রতিটি অধ্যায়ে কিছু ছবি থাকে যা শিক্ষার্থীদের স্পষ্ট ধারণা দেয়।

৪. প্রত্যেক অধ্যায়ের শেষে অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তর আত্মমূল্যায়নে সাহায্য করে।

৫. অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকা ও বিশেষজ্ঞরা তাঁদের প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার ফলকে পরিশ্রমে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করে।

৬. ব্যবহারিক ও প্রকল্পভিত্তিক কার্য সম্পাদন করার ক্ষেত্রে পাঠ্যপুস্তক শিক্ষার্থীকে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

৭. পাঠ্যপুস্তক শিক্ষার্থীকে বিষয়বস্তুর সাথে পরিচয় ঘটিয়ে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন করে।



পাঠ্যপুস্তক বিশ্লেষণের লক্ষ্য ও উপযোগিতা :


1. শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও মূল্যায়নের জন্য পাঠ্যপুস্তক বিশ্লেষণ অত্যন্ত জরুরি। পাঠ্যবই মূল্যায়ন ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে পুস্তকের গুণমান বৃদ্ধি করা সম্ভব।

2. পাঠ্যপুস্তক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অনুধাবন করা সম্ভব যে পাঠ্যপুস্তকটি শ্রেণিকক্ষের ভিত্তিতে কতখানি উপযোগী।

3. পাঠ্যপুস্তক বিশ্লেষণের মাধ্যমে সেই পাঠ্যপুস্তকটি পাঠ্যক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সাথে কতটা খাপ খায় সেটিও অনুধাবন করা সম্ভব।

পাঠ্যপুস্তকের উপযোগিতা :


1. পাঠ্যপুস্তক দ্বারা জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ সংকলিত হয়।

2. পাঠ্যপুস্তকের তথ্যগুলি বিশ্বাসযোগ্য, কারণ এখানে লেখক ও প্রকাশকের দায়বদ্ধতা থাকে।

3. ভাষা সাহিত্যের পাঠ্যপুস্তকে দেশীয় ও বিদেশী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষিত হয়।

4. পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষিকা সম্পূর্ণ পাঠ্যক্রম সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল থাকেন।


উপসংহার


উন্নত দেশে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা উপকরণ সহজলভ্য। কিন্তু উন্নয়নশীল দেশে শিক্ষা সহায়ক সামগ্রীর মধ্যে পাঠ্যপুস্তক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই গুণমানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তকের প্রতি সর্বাধিক দৃষ্টি দিতে হবে।

আলোচ্য পাঠ্যপুস্তকটি বিশ্লেষণের নিরিখে বলা যায় যে, প্রতিটি অধ্যায়ের শেষে যে প্রাসঙ্গিক প্রশ্নমালা থাকা বাঞ্ছনীয় তা আরো ভালো হতে হবে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কাজের সুযোগ আরো বাড়াতে হবে। বিভিন্ন সমস্যাগুলি যথাসম্ভব বাস্তবসম্মত হতে হবে। তাই প্রকাশকের কাছে আশা করা যায় এই সমস্যাগুলি যেন পরবর্তী সংস্করণে পরিমার্জন করা যায়।

Post a Comment

0Comments

Please Select Embedded Mode To show the Comment System.*

To Top