B.Ed 4th Semester Practicum – MS PowerPoint Presentation is provided in this post. It covers Introduction, History of MS PowerPoint, PowerPoint Window, Features, Creating and Saving Presentation, Slide Show, Educational Importance, and Conclusion with practical examples. এই Practicum-টি BSAEU-এর সর্বশেষ syllabus অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়েছে এবং Practicum File, Viva, Assignment, Presentation ও Semester Examination-এর জন্য উপযোগী।
MS PowerPoint Presentation Practicum
ভূমিকা
MS powerpoint হল একটি প্রেজেন্টেশন সফ্টওয়্যার, প্রেজেন্টেশন কথার অর্থ হল উপস্থাপন করা, অর্থাৎ কোনো বিষয়বস্তুর তথ্যকে উপস্থাপন করার পদ্ধতিই হল প্রেজেন্টেশন। কম্পিউটারে যে কোনো ধরনের প্রেজেন্টেশন তৈরির ক্ষেত্রে এই powerpoint হল একটি অন্যতম উপাদান।
থমাস রুডকিন ও ডেনিস অস্টিন ফরথট ইন্ক (Forethought Inc) কোম্পানির হয়ে ম্যাকিন্টশ কম্পিউটার (Macintosh computer) এর জন্য প্রথম এই সফ্টওয়্যারটি তৈরি করেন, তখন সফ্টওয়্যারটির একটি নাম দেওয়া হয় presenter। পরবর্তীকালে 1987 সালে রবার্ট গাছকিন্স এর নামকরণ করেন powerpoint। এই বছরই মাইক্রোসফ্ট কোম্পানি আগষ্টমাসে ফরথট ইন্ক কোম্পানির কাছ থেকে 14 মিলিয়ন ডলার (যার বর্তমান মূল্য 29.1 মিলিয়ন ডলার) এর বিনিময়ে powerpoint সফ্টওয়্যারটি কিনে নেয়। সফ্টওয়্যারটি কিনে নেওয়ার পরে মাইক্রোসফ্ট কোম্পানি এর আরও উন্নতিসাধন করে এবং মাইক্রোসফ্ট অফিস স্যুটের সাথে 1990 সালের 22শে May বাণিজ্যিকভাব এটিকে সর্বসাধারণের সামনে নিয়ে আসে। তারপর থেকেই এটি MS powerpoint নামে পরিচিত।
powerpoint 2013 উইন্ডোগুলির পরিচয়
powerpoint 2013 খোলার পর উইন্ডোর মতো একটি চিত্র প্রদর্শিত হবে। ওই উইন্ডোর বিভিন্ন অংশগুলি সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হল—
i) ফাইল বাটন : উইন্ডোর বাঁদিকে উপরের অংশে এই বাটনটি থাকে, এটি হল ওয়ার্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাটন, এর সাহায্যে ডকুমেন্ট খোলা, বন্ধ করা, নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করা, ডকুমেন্ট সেভ করা, ফ্যাক্স পাঠানো, ইমেল করে অ্যাটাচমেন্ট পাঠানো, প্রিন্ট করা ও ওয়ার্ক থেকে বেরোনো ইত্যাদি কাজগুলি করা যায়।
ii) কুইক এক্সেস টুলবার : এটি উইন্ডোর টাইটেল বারের ঠিক বাঁদিকে থাকে, এখানে যে বাটনগুলি দেখতে পাওয়া যায় সেগুলি হল— সেভ, নিউ, ওপেন, আনডু ও রিডু।
iii) টাইটেল বার : উইন্ডোর সবচেয়ে উপরের অংশে যেখানে Document Microsoft Word লেখাটি থাকে সেটি হল টাইটেল বার, যখন ফাইল সেভ ও ওপেন করা হয় তখন সেই ফাইলের নাম টাইটেল বারে দেখা যায়।
iv) কন্ট্রোল বার : টাইটেল বারের ডানদিকে এই কন্ট্রোল বাটন থাকে, এই কন্ট্রোল বাটনে যথাক্রমে MS word help, Ribbon Display option, minimise, Maximise/Restore এবং Close Button থাকে।
v) রিবন : টাইটেল বারের ঠিক নিচে থাকে রিবন বারটি, এই রিবন বারে যে সমস্ত রিবন বা ট্যাবগুলি দেখা যায় সেগুলি হল – Home, insert, Design, Transitions, Animations, Slideshow, Review, View।
vi) কমান্ড গ্রুপ : বিভিন্ন ধরনের কমান্ড আইকনের সম্মিলিত রূপ হল এই কমান্ড গ্রুপ। প্রত্যেকটি বিবরণের আলাদা আলাদা কমান্ড গ্রুপ আছে, বিভিন্ন রকমের কাজ করার ক্ষেত্রে এই কমান্ড গ্রুপের কমান্ডগুলি সাহায্য করে থাকে।
vii) ডায়ালগ বক্স লঞ্চার : কিছু কিছু কমান্ড গ্রুপকে বাদ দিলে (যেমন editing, table, add ins ইত্যাদি) বাকি সবকটি কমান্ড গ্রুপের নিচে ডানদিকে একটি চারকোনা ছোটো বক্স দেখা যায়, এগুলোকে বলা হয় ডায়ালগ বক্স লঞ্চার। এই লঞ্চারগুলিতে ক্লিক করলে সংশ্লিষ্ট ডায়ালগ বক্স খুলে যায়।
viii) রুলার : রিবন ও কমান্ড গ্রুপের নিচে হরাইজন্টাল ও বামদিকে একটি ভার্টিক্যাল রুলার দেখা যায়, এই রুলারগুলি মূলত স্কেলের ন্যায় ব্যবহৃত হয়।
ix) স্ক্রলবার : উইন্ডোর ডানদিকে ও একেবারে পেজের নিচের দিকে ভার্টিক্যাল ও হরাইজন্টাল স্ক্রলবার থাকে, কোনো বড় ডকুমেন্টকে নিয়ে কাজ করতে স্ক্রলবার সাহায্য করে। কিন্তু একটি ব্যাপার হল স্ক্রিনের স্বাভাবিক অবস্থাতে এগুলিকে দেখা যায় না, তবে স্ক্রিন বড় করলেই এগুলি দৃশ্যমান হয়।
x) স্ট্যাটাস বার : উইন্ডোর সবচেয়ে নিচে যে বারটি থাকে তাকে বলা হয় স্ট্যাটাসবার, এই বারটি ডকুমেন্ট সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য দেখায়, যেমন- কারসার কত নম্বর পৃষ্ঠায় অবস্থিত, ডকুমেন্টে কতগুলি পৃষ্ঠা আছে ইত্যাদি।
xi) স্লাইড পেন : উইন্ডোতে যে সাদা খালি অংশটি দেখা যায় তাকে বলে স্লাইড পেন, এই অংশের মাধ্যমে প্রেজেন্টেশনে ব্যবহৃত স্লাইডগুলি তৈরি করা যায়।
xii) প্লেস হোল্ডার : স্লাইড পেনের মধ্যে কতগুলি বিন্দু বিন্দু রেখা দ্বারা তৈরি বক্স দেখা যায়, এগুলোকে বলা হয় প্লেস হোল্ডার, এই হোল্ডারগুলিতে click to add title, click to add subtitle ইত্যাদি লেখা থাকে, এগুলি হল টেক্সট বক্স এখানে বিভিন্ন ধরনের টেক্সট খোলা যায়।
MS POWERPOINT এর বৈশিষ্ট্য
নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলি পাওয়ার পয়েন্টকে অন্য সব প্রেজেন্টেশন সফ্টওয়্যার থেকে আলাদা করে তোলে, ওইসব বৈশিষ্ট্যগুলি হল—
i) রং তালিকা ও ফন্ট (color schemes and fonts)
ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনমতো যে কোনো রং ও ফন্ট ব্যবহার করতে পারেন, তার প্রেজেন্টেশনে, এখানে প্রায় 16 মিলিয়নের মতো রং রয়েছে যা প্রেজেন্টেশন কাজকে সুন্দর করে তোলার জন্য যথেষ্ট।
ii) স্লাইড পরিবর্তন : (slider Transition)
পূর্বে কোনো প্রেজেন্টেশন একের পর এক পরিবর্তন করতে হাত যা ছিল অনেক বিরক্তিকর। কিন্তু পাওয়ারপয়েন্টের মাধ্যমে স্লাইডগুলিকে নিজে নিজে পরিবর্তন করা যায় এর জন্য শুধু একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারন করে দিতে হয় যে কত সময় পর পর স্লাইড পরিবর্তিত হবে।
iii) ছবি যুক্ত করা : (adding picture)
এখানে খুব সহজেই বিভিন্ন ধরনের ছবি যুক্ত করা, কোনো স্লাইডে কোনরকম অঙ্কন করতে হবে তা অনায়াসেই করা যায়।
iv) স্লাইডে অঙ্কন :
ব্যবহারকারী যদি মনে করে তার তৈরি করা কোনো স্লাইডে অঙ্কন করতে পারে।
v) বহুমাধ্যম বিষয় যুক্ত করা : (adding Multimedia effect)
পাওয়ারপয়েন্টের প্রেজেন্টেশন সুন্দর করে তোলার জন্য বিভিন্ন রকমের শব্দ, অ্যানিমেশন ছবি, ভিডিও ক্লিপ যুক্ত করা যায়।
vi) সমীকরণ : (Equation)
কোনোরকম গাণিতিক কাজ করার ক্ষেত্রে পাওয়ার পয়েন্টের equation বেশ কার্যকর, এর সাহায্যে যে কোনো ধরনের গাণিতিক সমস্যার সমাধান সহজে করা যায়।
vii) চার্ট যুক্ত করা :
প্রেজেন্টেশনকে সুন্দর করে তোলার জন্য ব্যবহারকারী বিভিন্ন ধরনের চার্ট যেমন – বার চার্ট, পাই চার্ট, পলিগন যোগ করতে পারে।
MS POWERPOINT শুরু করার পদ্ধতি
powerpoint খোলার জন্য প্রথমে start বাটনে ক্লিক করে All programmes এ গিয়ে Microsoft office এর অন্তর্গত powerpoint অপশনে ক্লিক করতে হবে, তাহলেই window টি আসবে সেখানে blank presentation এ ক্লিক করতে হবে, তাহলেই powerpoint টি খুলে যাবে। যদি কম্পিউটারের Taskbar বা Desktop এ কোনো আইকন থাকে তাহলে সেখানে click করলেও পাওয়ারপয়েন্ট খুলে যাবে, পাওয়ার পয়েন্টকে P চিহ্নে চিহ্নিত করা হয়।
POWERPOINT শুরু করার পদ্ধতি
i) Creating A New presentation From Blank Template: Blank and Recent template পদ্ধতির সাহায্যে Blank and presentation option দ্বারা নতুন presentation তৈরি করা যায়, যার জন্য নিম্নলিখিত step গুলি অনুসরণ করতে হবে—
a) office button থেকে New select করতে হবে।
b) Blank and Recent template থেকে Blank presentation নির্বাচন করে create এ click করতে হবে।
ii) creating Presentation From Installed Template: এর সাহায্যে নতুন Presentation তৈরির জন্য নিচের step গুলি অনুসরণ করতে হবে—
a) office button থেকে New select করতে হবে।
b) Installed Template নির্বাচন করে যে কোনো একটি Template select করতে হবে।
c) তারপর নিচে অবস্থিত create button টি click করতে হবে।
d) click করার পর MS powerpoint screen এ নতুন Template টি প্রদর্শিত হবে।
iii) Presentation টি Save করা : নতুন কোনো presentation তৈরি হয়ে গেলে অথবা আগের কোনো presentation এ প্রয়োজনীয় রদবদল করা হলে সেগুলি (ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য) save অথবা save as option এ ক্লিক করতে হয়। দুটি ক্ষেত্রেই save as dialog box টি খুলে যাবে, presentation টি save করে রাখার জন্য যে ফোল্ডারে presentation save করতে ইচ্ছে করে সেই ফোল্ডারটি select করতে হবে। একটি file এর নাম 'file name' text box এ type করে save বাটনে click করলে সমগ্র presentation টি save হবে।
iv) বিদ্যমান presentation টি খোলা : office button এ open option টি click করে আমরা আগের থেকে তৈরি ও save করে রাখা presentation টি কে খুলে দিতে পারি, open dialog box থেকে প্রয়োজনীয় file টি select করে open button টি click করলে প্রয়োজনীয় file টি খুলে যাবে।
POWERPOINT PRESENTATION এর সংজ্ঞা ও উদ্দেশ্য
সংজ্ঞা :
MS powerpoint হলো মাইক্রোসফট-এর তৈরি একটি slide show উপস্থাপন প্রোগ্রাম বা Graphical presentation program, যার দ্বারা তাড়াতাড়ি ও সহজে পেশাদারি মানের presentation তৈরি করা যায়, বিন্যস্ত করা যায় ও সংগতি করা যায়; অর্থাৎ কোনো বিষয়বস্তুকে powerpoint দ্বারা বিভিন্ন স্লাইডের সাহায্যে প্রয়োজনীয় চিত্র বা বিষয় সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য পরিবেশনের মাধ্যমে জনসমক্ষে উপস্থাপন করাকেই বলা হয় powerpoint presentation।
উদ্দেশ্য :
i) একইসাথে কোনো বিষয় সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য ও সেই তথ্যের সমর্থনে অন্যান্য তথ্য ও চিত্র পেশ করার সুবিধা থাকে, অর্থাৎ যে বিষয় উপস্থাপিত হচ্ছে তার সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা দেওয়া যায়।
ii) যে বিষয়টি উপস্থাপিত হচ্ছে তাকে যথাসাধ্য চিত্তাকর্ষক করে তোলা যায়, যে কোনো বিষয়বস্তুর পিছনে অন্যতম কারণ তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও ফলাফল সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়া যায়।
iii) powerpoint দ্বারা কোনো বিষয় উপস্থাপন করতে গেলে তার জন্য কোনো প্রাথমিক ধারণা দেওয়া যায় না, বরং কম সময়ে কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য সাধিত হয়। সম্মিলিত আলোচনা যথেষ্ট ফলপ্রসূ হয়।
শিক্ষাক্ষেত্রে POWERPOINT এর গুরুত্ব
Powerpoint এর সাহায্যে কোনো শিক্ষণীয় বিষয়কে চক্ষুকর্ণের বিবাদ-ভঞ্জনের সাথে সাথে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ দ্বারা সম্পূর্ণরূপে তুলে ধরা যায়। শিক্ষাক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ দিন দিন বাড়ছে। আধুনিক প্রযুক্তির উপাদান হিসাবে powerpoint শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।
i) powerpoint দ্বারা কম সময়ে শিক্ষার্থীদের সামনে অনেক বেশী তথ্য উপস্থাপন করা যায়, ফলে সময়ের সাশ্রয় হয়। শিক্ষার্থীরা উপস্থাপিত বিষয়বস্তুর সম্পর্কে সম্যকভাবে অবহিত হয়।
ii) একঘেয়ে পুথিগত শিক্ষার বাইরে powerpoint দ্বারা বিষয়বস্তুর উপস্থাপন শিক্ষার্থীদের পাঠের প্রতি অনেক বেশী আগ্রহী করে তোলে।
iii) শিক্ষার্থীরা শিক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করতে শেখে।
iv) পুথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নানা ধরনের project তৈরি ও ব্যবহারিক ক্ষেত্রে তার হাতে কলমে প্রয়োগের দিক থেকেও এটি অপরিহার্য।
v) কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে powerpoint এর ব্যবহার সর্বাধিক।
vi) project জাতীয় কাজ বা Report প্রদানে powerpoint এর প্রয়োজন সর্বাপেক্ষা বেশি।
POWERPOINT স্লাইড শো
Powerpoint প্রেজেন্টেশনের এক একটি পেজকে স্লাইড বলে, একবার slide গুলি তৈরি হয়ে গেলে পর পর সেগুলিকে স্লাইড হিসাবে দেখানো যায়।
❑ Slide pane (স্লাইড পেন) :
রুলারের ঠিক নীচে একটি বড়ো জায়গা থাকে, যাকে slide pane বলে। এতে কোনো একটি slide দেখা যায়। powerpoint এর যাবতীয় কাজ স্লাইডেই করা হয়। বিশেষ ধরনের কিছু বিন্দু সম্বলিত চৌকো বক্সগুলিকে বলে place holder এগুলি যে কোনো স্লাইডের ওপরে থাকে। স্লাইডের ওপরে কোনো বিষয়বস্তু Type করতে এবং কোনো Graphics সংযোজন করতে এগুলি ব্যবহৃত হয়।
❑ slide Notes pane (স্লাইড নোটস পেন)
এই জায়গাটিতে কোনো বিদ্যমান স্লাইড সম্পর্কিত নোট type করা যায়। এই নোটগুলি পরে print করে নিয়ে presentation এর সময় ব্যবহার করা যেতে পারে, এবং সেগুলি পরে webpage-এ পোস্ট করা বা দর্শক ও শ্রোতাদের মধ্যে বিলি করা যেতে পারে।
❑ slide and outline Tab (স্লাইড ও আউটলাইন ট্যাব) :
স্লাইড ট্যাবটি থাকে powerpoint window-র বাঁদিকে এবং এটি slide গুলির Thumbnails বা খুব ছোটো ছোটো ক্রমানুসারে সাজিয়ে দেখায়। একটি Thumbnails কোনো slide এ select করে সেটি slide pane এ দেখানোর জন্য select করা হয়। presentation এর text প্রদর্শনে outline Tab ব্যবহৃত হয়।
❑ Status Bar (স্ট্যাটাস বার) :
উইন্ডোর একদম নীচে থাকে Status Bar, এটি বর্তমান স্লাইডগুলির ক্রমিক সংখ্যা, মোট কতগুলি slide আছে ইত্যাদি তথ্য জানায়। Right click করে status bar এ যা দেখা যাচ্ছে সেই তথ্যগুলি customise করা হয়।
❑ Slide Command Group:
একটি slide তৈরি হয়ে যাওয়ার পর প্রেজেন্টেশনে আরও স্লাইড যোগ করা যায় slide command group এর new slide অপশনটির মাধ্যমে। এই command group এ New slide ছাড়াও Layout, Reset ও Delete command রয়েছে।
❑ New Slide যোগ করা :
নতুন slide যোগ করতে নীচের step গুলি অনুসরণ করা হয়—
1. Home Ribbon এর মধ্যে 'slide command' group এর 'New slide' Option এ click করতে হবে।
2. click করার ফলে বিভিন্ন ধরনের slide যুক্ত একটি তালিকা প্রদর্শিত হবে।
3. সেখান থেকে প্রয়োজনমতো নতুন slide টিকে নির্বাচন করতে হবে।
❑ Duplicate slide যোগ করা :
অনেক সময় একটি slide যোগ করার পর হুবহু আরেকটি slide যোগ করার প্রয়োজন হয়, এটা তখনই হয় যখন নতুন slide টি ডিজাইন বা Formatting এর দিকে আগের slide এর মতোই কিন্তু তার মধ্যের তথ্যগুলি পৃথক থাকে। এইরূপ প্রয়োজনে একটি একই রকম slide তৈরি করে তার বিষয়বস্তুটিকে কেবল বদলে দেওয়া হয় এতে নতুন slide তৈরি, Formatting এর পরিশ্রম বেঁচে যায়। এর জন্য যেগুলি করতে হবে সেগুলি হলো –
1) Home Tab এর মধ্যে slide গ্রুপে New Slide button-এ click করতে হবে।
2) নানারকম slide layout এর যে তালিকাটি দেখা যাবে তার শেষের দিকে 'Duplicate selected slide' অপশনে click করতে হবে।
3) বর্তমান slide এর পরে অথবা নির্বাচিত কোনো slide এর পরে সেই স্লাইডের সমরূপ স্লাইড আপনা-আপনি Insert হয়ে যাবে।
❑ উপসংহার
মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট হল মাইক্রোসফট এর একটি প্রোগ্রাম বা সফ্টওয়্যার যার প্রধান কাজ হল স্লাইড শো প্রস্তুতি ও উপস্থাপনা। এই প্রোগ্রামের সাহায্যে তাড়াতাড়ি ও সহজে পেশাদারি মানের প্রেজেন্টেশন তৈরি করা, বিন্যস্ত করা ও সংগতি করা যায়।
প্র্যাক্টিকালের জন্য উদাহরণ স্বরূপ প্রেজেন্টেশনটির বিষয় হল 'বনসংরক্ষণ', 'পুনর্নবীকরণ', 'বৃক্ষরোপণ', 'বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ'। প্রেজেন্টেশনটির শিরোনাম 'বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা' (The Importance of Tree plantation)।
প্রেজেন্টেশনটিতে বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা বা উপকারিতাগুলিকে তুলে ধরা হয়েছে যার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ, বনসংরক্ষণ ও পুনর্নবীকরণ-এর প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ হয়েছে, এর সাথেই বৃক্ষরোপণের ও বনসংরক্ষণ এর উদ্দেশ্যটি সফলভাবে পরিপূর্ণ করার উপায়সমূহ আলোচনা করা হয়েছে।
এই ধরনের প্রেজেন্টেশন পরিবেশ বিজ্ঞান বা জীবনবিজ্ঞানের ক্লাসে শিক্ষার্থীদের প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করতে সহায়ক হবে। বৃক্ষের ও বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে সামগ্রিক শিক্ষাদান ও সচেতনতা বিকাশে এই ধরনের প্রেজেন্টেশন শিক্ষকদের কাছে যেমন অপরিহার্য, তেমনই শিক্ষার্থীরাও এর থেকে খুবই উপকৃত হয়।

